১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার
বাংলাদেশের এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দান এবং ভরণপোষণে বিপুল অর্থ ব্যয়
করেছে। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে ভারতীয় আট ডিভিশন সৈন্য
যুদ্ধ করেছেন। দেড় হাজার ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন
উৎসর্গ করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষে ভারতীয় জনগণকে একাট্টা করার পাশাপাশি
ইন্দিরা গান্ধী বিশ্বজনমত গড়ে তুলেছেন। এমনকি ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্ত করার জন্য ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ববাসীকে
নিয়ে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে ফাঁসির মঞ্চ থেকেও
বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় স্বদেশে ফিরে আসতে পেরেছেন। এসব কারণেই বাংলাদেশের
বোন ইন্দিরা গান্ধী। স্বাধীনতার চার দশক পর সেই ইন্দিরা গান্ধীকে
মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদান রাখার জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা
'বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা' দেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য যেমন
অহংকারের, তেমনি ইন্দিরা পরিবার ও ভারতীয় জনগণের জন্য গৌরবের।

প্রতিবেশী দেশ ভারত। ভারত সম্পর্কে আমাদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক- দুই ধরনেরই মনোভাব রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সম্পর্কে, বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কে ইন্দিরা গান্ধীর যে প্রেম-ভালোবাসা আমরা ১৯৭১ সালে দেখতে পেয়েছি, তা অবিস্মরণীয়। দুই দেশের বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সূচনায় ইন্দিরার মুখ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নতুন প্রজন্মের সন্তানদের এই বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ প্রথম ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় বলেন, 'আমরা পূর্ববঙ্গের অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্রের জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকাকে আমরা প্রশংসা করি।' এরপর ৩১ মার্চ সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হয়, ভারতের সমগ্র জনসাধারণ পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতাসংগ্রামীদের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি ও সমর্থন জানাচ্ছে। এরপর ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে বিশ্বজনমত গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলেছেন। চিঠি লিখেছেন। এমনকি ঝটিকা সফর করে রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বর্ণনা করেছেন। ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত 'জয় বাংলা' পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর বাংলাদেশের রক্তাক্ত, লাঞ্ছিত, ধর্ষিত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য ইন্দিরা গান্ধী চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইকেও চিঠি দেন। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের পিন্ডিকে হুঁশিয়ার করে দেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতেই হবে। বিশ্বকে ঠুঁটো জগন্নাথ সেজে বসে থাকলে চলবে না। বাংলাদেশের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। এমনকি আমেরিকার রাষ্ট্রদূতকে তিনি ডেকে নিয়ে বলেন, 'পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ শান্তির পক্ষে বিপজ্জনক। অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।' এ কথা তিনি প্রেসিডেন্ট নিক্সনের উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারকেও জানিয়ে দেন। অল্প সময়ের মধ্যে ইন্দিরা গান্ধী ঝটিকা সফরে বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি ঘুরে রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এমনকি তিনি প্রেসিডেন্ট নিক্সনের সঙ্গেও কথা বলে তাঁকে বাগে আনার চেষ্টা করেন। তিনি আমেরিকার জনগণের কাছেও আহ্বান জানান বাংলাদেশের নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমেরিকার মা ও স্কুলের কোমলমতি শিশুরা চাঁদা তুলে শরণার্থীদের সাহায্য করেছে। ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের দ্রুত স্বাধীনতার জন্য ভিন্ন রণকৌশল গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর দিল্লি থেকে কলকাতায় ছুটে এসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেন। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় জনগণকে তিনি সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণের পরপরই পাকিস্তানিরা ভারতের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা চালায়। ইন্দিরা গান্ধী প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে সারা ভারতে আপৎকালীন অবস্থা জারি করেন এবং জাতির উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি বলেন, 'পাকিস্তান আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ যুদ্ধ বাংলাদেশের। এ যুদ্ধ আমাদের।' এর পরই তিনি ঢাকা দখল করার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নির্দেশ দেন। তারপর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করে বিমানে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। ১১ আগস্ট মিয়াওয়ালির জেলে সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধুর বিচার শুরু হয়। ইন্দিরা গান্ধী এ সময় ২৪ জন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে আবেদন করেন, মুজিবকে বাঁচান। ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির রায় হয়। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধীর কারণেই পৃথিবীর অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের চাপে পাকিস্তান সরকার সেই রায় কার্যকর করতে পারেনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাকিস্তানের নাটক চলতেই থাকে। সব নাটকের অবসান ঘটিয়ে ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি লাভ করেন। তিনি পাকিস্তান থেকে বিমানে লন্ডনে এসে হোটেল ক্ল্যারিজেসে ওঠেন। লক্ষ্নৌ থেকে ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলে দিল্লিতে আসার আমন্ত্রণ জানান। এরপর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে এসে লাখো মানুষের সমাবেশে বলেন, 'আপনাদের মহান প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী শুধু মহান ভারতের নেত্রী নন, তিনি সমগ্র মানবজাতির নেত্রী।' এরপর বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরেন। ইন্দিরা গান্ধীর ভাই বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর বহিন (বোন) ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের মহান নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী। এই সম্মাননা প্রদান করেও তাঁর ঋণ শোধ হওয়ার নয়। গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাকামী এই মানুষটিকে ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর তাঁরই বাসভবনে তাঁরই নিজ দেহরক্ষী নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। আজকের এই দিনে তাঁকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
লেখক : কবি ও সাংবাদিক
alam_jess61@yahoo.com
প্রতিবেশী দেশ ভারত। ভারত সম্পর্কে আমাদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক- দুই ধরনেরই মনোভাব রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সম্পর্কে, বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কে ইন্দিরা গান্ধীর যে প্রেম-ভালোবাসা আমরা ১৯৭১ সালে দেখতে পেয়েছি, তা অবিস্মরণীয়। দুই দেশের বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সূচনায় ইন্দিরার মুখ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নতুন প্রজন্মের সন্তানদের এই বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ প্রথম ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় বলেন, 'আমরা পূর্ববঙ্গের অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্রের জন্য শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকাকে আমরা প্রশংসা করি।' এরপর ৩১ মার্চ সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হয়, ভারতের সমগ্র জনসাধারণ পূর্ববঙ্গের স্বাধীনতাসংগ্রামীদের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি ও সমর্থন জানাচ্ছে। এরপর ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের পক্ষে বিশ্বজনমত গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে কথা বলেছেন। চিঠি লিখেছেন। এমনকি ঝটিকা সফর করে রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি বর্ণনা করেছেন। ১৯৭১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত 'জয় বাংলা' পত্রিকা সূত্রে জানা যায়, ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের পর বাংলাদেশের রক্তাক্ত, লাঞ্ছিত, ধর্ষিত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্য ইন্দিরা গান্ধী চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইকেও চিঠি দেন। পাশাপাশি তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের পিন্ডিকে হুঁশিয়ার করে দেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতেই হবে। বিশ্বকে ঠুঁটো জগন্নাথ সেজে বসে থাকলে চলবে না। বাংলাদেশের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। এমনকি আমেরিকার রাষ্ট্রদূতকে তিনি ডেকে নিয়ে বলেন, 'পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ শান্তির পক্ষে বিপজ্জনক। অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।' এ কথা তিনি প্রেসিডেন্ট নিক্সনের উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারকেও জানিয়ে দেন। অল্প সময়ের মধ্যে ইন্দিরা গান্ধী ঝটিকা সফরে বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি ঘুরে রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এমনকি তিনি প্রেসিডেন্ট নিক্সনের সঙ্গেও কথা বলে তাঁকে বাগে আনার চেষ্টা করেন। তিনি আমেরিকার জনগণের কাছেও আহ্বান জানান বাংলাদেশের নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমেরিকার মা ও স্কুলের কোমলমতি শিশুরা চাঁদা তুলে শরণার্থীদের সাহায্য করেছে। ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের দ্রুত স্বাধীনতার জন্য ভিন্ন রণকৌশল গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর দিল্লি থেকে কলকাতায় ছুটে এসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভায় ভাষণ দেন। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় জনগণকে তিনি সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণের পরপরই পাকিস্তানিরা ভারতের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা চালায়। ইন্দিরা গান্ধী প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে সারা ভারতে আপৎকালীন অবস্থা জারি করেন এবং জাতির উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি বলেন, 'পাকিস্তান আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ যুদ্ধ বাংলাদেশের। এ যুদ্ধ আমাদের।' এর পরই তিনি ঢাকা দখল করার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নির্দেশ দেন। তারপর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করে বিমানে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। ১১ আগস্ট মিয়াওয়ালির জেলে সামরিক আদালতে বঙ্গবন্ধুর বিচার শুরু হয়। ইন্দিরা গান্ধী এ সময় ২৪ জন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে আবেদন করেন, মুজিবকে বাঁচান। ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর ফাঁসির রায় হয়। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধীর কারণেই পৃথিবীর অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের চাপে পাকিস্তান সরকার সেই রায় কার্যকর করতে পারেনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাকিস্তানের নাটক চলতেই থাকে। সব নাটকের অবসান ঘটিয়ে ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি লাভ করেন। তিনি পাকিস্তান থেকে বিমানে লন্ডনে এসে হোটেল ক্ল্যারিজেসে ওঠেন। লক্ষ্নৌ থেকে ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলে দিল্লিতে আসার আমন্ত্রণ জানান। এরপর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে এসে লাখো মানুষের সমাবেশে বলেন, 'আপনাদের মহান প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী শুধু মহান ভারতের নেত্রী নন, তিনি সমগ্র মানবজাতির নেত্রী।' এরপর বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরেন। ইন্দিরা গান্ধীর ভাই বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর বহিন (বোন) ইন্দিরা গান্ধী। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের মহান নেত্রী ইন্দিরা গান্ধী। এই সম্মাননা প্রদান করেও তাঁর ঋণ শোধ হওয়ার নয়। গণতন্ত্রকামী, স্বাধীনতাকামী এই মানুষটিকে ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর তাঁরই বাসভবনে তাঁরই নিজ দেহরক্ষী নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। আজকের এই দিনে তাঁকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
লেখক : কবি ও সাংবাদিক
alam_jess61@yahoo.com

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন